Cancer (ক্যান্সার)

Retinoblastoma (Cancer of Eye)

Retinoblastoma is a rare, cancerous tumor of a part of the eye called the retina. One or both the eyes may be affected. The pupil may appear white or have white spots.  Normally this type of cancer begins in the childhood.  Removal of the eye and subsequent chemotherapy is the best choice to arrest the spread of cancer to the brain and other vital organs which may cause inevitable death.

In the year 1994, a boy of six years of age was diagnosed by an eminent specialist named Prof. Mustafizur Rahman, who advised for surgical removal of the eye to be followed by radiotherapy. Because the prognosis of such a treatment was not very good, the patient was brought to us and we applied the advanced homeopathic system of immunomodulation by bone morrow stimulation. Within 1 week, multiple warts appeared on the right side of the patient and it took three months for the warts to disappear. Then he was sent to the same specialist who observed that the tumor did not exist but the retina was damaged and the boy could not see with that eye. But as it was expected, the cancer did not spread to the other parts of the body. We sent the child to another Ophthalmologist Prof. Harun, who was very delighted to see this cure as it was a rare case.

Now in the year 2012, that boy is grown up young man and is still a healthy person, although he lost his one eye but the cancer never relapsed.

Name: S Alam

Age: 24 years,

Year of treatment: 1994

Result: Cured within 3 months and never had a relapse.

                                    ……………….

রেটিনোব্লাস্টোমা (চোখের ক্যান্সার)

 রোগীর নাম : শাহিনুর আলম, বয়স : ৬ বছর, ঠিকানাঃ দিনাজপুর। (সময় ১৯৯৪ সাল)
রোগের বিবরণ : ১৯৯৪ সালে চক্ষু বিশেষজ্ঞ কর্ণেল মুস্তাফিজ সাহেব রোগটি সনাক্ত করেন   এবং আক্রান্ত ডান চক্ষুটি তুলে ফেলে রেডিওথেরাপি দেওয়ার পরামর্শ দেন, যার পরিণতি  একমাত্র মৃতু্। রোগীর পিতা বিষয়টি জেনে সরাসরি আমাদের কাছে আসেন। আমাদের  চিকিত্সা শুরু হওয়ার পর দিনই শিশুটি জ্বরে আক্রান্ত হয় এবং এক সপ্তাহের মধ্যে তার শরীরের ডান দিকের অর্ধাংশে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অচিল সদৃশ টিউমার বেরিয়ে আসে। টিউমারগুলো ক্রমেক্রমে পাকতে শুরু করে এবং ফেটে পুঁজ ও রক্ত বের হতে শুরু করে। এ প্রক্রিয়া দীর্ঘ তিন মাস চলার পর যখন সমগ্র ত্বক সুস্থ হয়ে যায় তখন শিশুটিকে পরীক্ষা করার জন্য চক্ষু বিশেষজ্ঞ প্রফেসর হারুন সাহেবের নিকট পাঠানো হয়। তিনি পরীক্ষা করে চোখের ভিতর টিউমারের অস্তিত্ব খুজে পান নি কিন্তু দেখতে পান যে, বিলুপ্ত টিউমারের কারণে চক্ষুটি অন্ধ হয়ে গিয়েছে। তার মতে এমন একটি আরোগ্যের ঘটনা চিকিতসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে বিরল।

—————————————————————————————————————————————-

Adenocarcinoma Lung, Diabetes, Hemorrhoids, Hypertension

From our knowledge of immunology, we understand that although a man may get attacked with various types of diseases, but those diseases are different manifestations of a set of antigens or toxins. As for example, this person was attacked with hemorrhoids first, then he had hypertension followed by diabetes and lastly got attacked with cancer of lung.   When we take the history of such patients, we see such chronological development of diseases. If we begin the treatment by selecting a set of suitable remedies, we shall see that the cancer will d

isappear first, then there will be development in the hemorrhoids and finally the diabetes and hypertension will be improving gradually and slowly and ultimately the intensity of these last two diseases will be almost negligible, if the person has enough patience to continue with the treatment.

In classical homeopathy, we deal with these diseases as different types of diseases and select different medicines for four different diseases.

But with our knowledge of immunology, we boost the immune system with selected homeopathic medicines which act on the bone morrow to produce the efficient types of blood cells to generate B and T cells to produce antibodies and killer T  cells to destroy the antigens and cancer cells. This will act on all the diseases simultaneously irrespective of the location of the diseases, bu

t there will be a process of detoxification of antigenic substances till the diseases are totally eliminated.  This is the advantage of homeopathic immunomodulation, which could not be imagined before the development of this new system of medication.

Homeopathic treatment of cancer of lung, diabetes, piles, hypertension, asthma

Name: Shib Shanker Nag

Age: 62 years,

Year of treatment: 2005

Result: Cured from cancer within 1 year and treatment for other diseases still continues.

                               ………………………………..

ফুসফুসের ক্যান্সার (এডেনোকার্সিনোমা লাং), ডায়াবিটিস, পাইলস্ এবং উচ্চরক্তচাপ

রোগীর নাম : শিব শংকর নাগ, বয়স : ৬২ বছর, ঠিকানা : শাখারী বাজার, ঢাকা।
রোগের বিবরণ : রোগী একই সাথে ফুসফুসের ক্যান্সার জনিত টিউমার, ডায়াবিটিস এবং রক্তস্রাবী পাইলস্ রোগে আক্রান্ত। চিকিত্সকের রেডিওথেরাপি দেওয়ার পরামর্শ উপেক্ষা করে রোগী এসেছেন আমাদের চিকিত্সা নিতে। রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দীর্ঘদিন যাবত অকেজো না থাকলে ক্যান্সার রোগ হয়না। একই সাথে সবক’টি রোগের চিকিত্সাশুরু করা হয়। এমন জটিল অবস্থায় রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা উদ্দীপ্ত করা ব্যতীত আর কোন উপায় থাকে না। ধীরে ধীরে সবক’টি রোগ কমতে থাকে এবং এক বছর চিকিত্সার পর রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হন। চিকিত্সাকালীন সময়ে বারডেম হাসপাতালে রীতিমত চেক আপ করা হয়।

———————————————————–

Aplastic anemia

Aplastic anemia is a condition where bone marrow does not produce sufficient new cells to replenish blood cells. Aplastic anemia patients have lower counts of all three blood cell types red blood cells, white blood cells, and platelets, called pancytopenia. The bone marrow test showed the disease as aplastic anemia and was advised to undergo bone marrow transplantation treatment abroad. Her bone marrow test showed Hb- 6.4 gm/ dl, Platelet -45000, As this was an expensive and risky treatment, she was brought under our care and was given our treatment for 3 years. When her blood report showed normal results, her treatment was stopped. Now she is a grown up healthy girl of 19 years.

Aplastic Anaemia Name: Sadia Zerin

Age: 6 years

Year of treatment: 1999

Result: Cured within 3 years.

এ্যাপ্লাস্টিক এ্যানিমিয়া (জটিল রক্তশূণ্যতা)

নাম : সাদিয়া জেরিন, বয়স : ৬ বছর, ঠিকানা : ঢাকা, তারিখ ২৬/১২/১৯৯৯, স্থান পিজি হাসপাতাল।
রোগের বিবরণ : বোনম্যারো পরীক্ষার রিপোর্ট :- হেমোগ্লোবিন -৬.৪ গ্রাম/ডিএল, প্লেটলেট কাউন্ট – ৪৫০০০, যা হওয়া উচিত দেড় লক্ষ থেকে সাড়ে চার লক্ষ, রোগের নাম এ্যাপ্লাষ্টিক এ্যানিমিয়া যার অর্থ হচ্ছে অস্থিমজ্জার রক্ত তৈরীর ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়া। চলতি কথায় চিকিতসকগন এই রোগকে বোনম্যারো ফেলিউর বলে থাকেন । এর একমাত্র চিকিতসা হচ্ছে বিদেশে অস্থিমজ্জা পরিবর্তন করা, যার খরচ কমপক্ষে ৪০ লক্ষ টাকা। এসব কথা শুনে শিশুর পিতা আমাদের চিকিতসা আসেন এবং মাত্র এক বছরে নামমাত্র খরচে রক্ত শূণ্য শিশুটি সুঠাম দেহের অধিকারী হয়।

—————————————————————————

Immune Thrombocytopenic Purpura (ITP) or Thrombocytopenia.

The woman was under treatment at Padma diagnostic center under Prof. Zullur Rahman a hematologist. She was treated by prednisolone for 1 year when her platelet count came down to 34000 which is supposed to be from 150000 to 400000 in the normal level. This type of disease is an auto-immune disease when the immune system begins to destroy the platelets. This type of abnormal function of immune system is controlled by steroids like prednisolone. But this treatment damages the bone morrow and decreases the production of all types of blood cells. But in our treatment, we can modulate the immune system so that it does not create antibodies against platelets. This is the wonderful action of Homeopathic Immunomodulation.

Immune thrombocytopenic purpur

Name: Nasrin Akter shilpi

Age: 26 Years

Year of Treatment: 2005

Result: Cured.

                     …………………………

থ্রাম্বোসাইটোপেনিয়া (আই টি পি)

রোগীর নাম : নাসরিন আক্তার শিল্পি, বয়স : ২৬ বছর, ঠিকানা : ঢাকা। স্থান পদ্মা ডায়াগনষ্টিক সেন্টার এবং হাসপাতাল, চিকিতসক- প্রফেসর জলিলুর রহমান।
রোগের বিবরণ : এই রোগে রক্তের অণুচক্রিকা (প্লেটলেট) কমে ত্রিশ হাজারে নেমে আসে যার স্বাভাবিক মাত্রা দের লক্ষ থেকে সাড়ে চার লক্ষ থাকার কথা।
কিছুদিন প্রেডনিসোলন চলার পর উপকার না পেয়ে রোগী আমাদের চিকিতসায় আসে এবং একবছরে প্লেটলেট আড়াই লক্ষতে উঠে আসে।

—————————————————————————

Blood Cancer (Acute Myeloid Leukemia)

This girl was under treatment at the Al Din Hospital where she was diagnosed as a patient of blood cancer and was advised to be treated abroad.  Her blood report showed 15% atypical cell.  When her father came to learn about us, he brought his daughter under our treatment. We started our treatment and within 3 weeks, there was miracle. The level of atypical cell came down to 0%. A palestinian doctor named Dr. Yad Ullah practising in Bangladesh observed the total process of treatment as he was a neighbour of the patient in the same building named Motaleb Tower near Hatirpul Market in Dhaka.

Blood Cancer (Acute Myeloid Leukemia)Name: Baby Ayesha

Age: 6 months

Year of Treatment: 2011

Result: Cured without undergoing any conservative treatment.


Bladder Cancer (Cancer of Urinary Bladder)

Due to persistent bloody discharge with urine, this patient was taken to the hospital where USG report showed a huge tumor inside her urine bladder. As per biopsy report, this case was diagnosed as bladder cancer. She was given the immunotherapeutic treatment of instillation of BCG which did not produce any better result. She was having bloody urine with pain. She came under our treatment and began to show improvement within 3 weeks time but it took one year to get complete relief. Medication was stopped for two years and there was some relapse in her bloody discharge in urine. Our medication was started again for one more year when the USG report showed complete disappearance of the tumor. After this treatment, she became a healthy looking woman.

 Bladder CancerName: Rehana Begum

Age: 50 years,

Year of treatment: 2008

Result: Cured from cancer within 3 years.

……………………………………………..

মুত্রথলীর ক্যান্সার (ক্যান্সার অব ইউরিন ব্লাডার )

রোগীর নাম : রেহানা বেগম, বয়স : ৫০ বছর, ঠিকানা : নারায়ণঞ্জ। রোগের বিবরণ : বায়োপসির রিপোর্টে মুত্রথলির ক্যান্সার ধরা পড়ার পর আমাদের চিকিতসায় মাত্র এক বছরে সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভ করেন । জাপানে এই রোগের একমাত্র চিকিতসা হচ্ছে বি সি জি টিকায় ব্যবহৃত যক্ষ্মা রোগের অর্ধমৃত জীবাণূকে মুত্রনালীর ভিতর দিয়ে মুত্রথলিতে প্রবেশ করানো যা বেশ যন্ত্রণাদায়ক এবং ব্যয়বহুল, অথচ যে চিকিতসায় আরোগ্যের নিশ্চিয়তা খুবই কম।

—————————————————————————

Brain Cancer (Meningioma)

Meningiomas are tumors of the brain arising from the meninges. These tumors are mostly benign but some of them are malignant.

This patient was supposed to undergo surgical operation but he was panicked seeing the condition of other patients and came for homeopathic treatment. His tumor was asymptomatic except he had occasional cramps in the muscles of his leg. After our treatment his uneasiness in the brain together with insomnia disappeared including the muscular cramps which give him great relief. After few months his medication was stopped and after 2/3 years, we lost contact with him.

MeningiomaName: Abdur Rab Mollah

Age: 55 Years

Year of Treatment: 2002

Result: Cured.

…………………………………………………..

ব্রেইন ক্যান্সার (মেনিনজিওমা)

রোগীর নাম : আবদুর রব মোল্লা, বয়স : ৫৫ বছর, ঠিকানা : নারায়ণগঞ্জ।
রোগের বিবরণ : এধরনের রোগের একমাত্র চিকিতসা অপারেশন করে টিউমার অপসারন করা এবং অপসারিত টিউমারটিকে পরীক্ষা করে ক্যান্সারের ধরন জেনে রেডিওথেরাপি বা কেমোথেরাপি প্রয়োগ করা। যার পরিণতি প্রায় ১০০% ক্ষেত্রেই অতীব কষ্টকর মৃতু্য। এই রোগীটি সেই পথ ত্যাগ করে আমাদের চিকিতসায় এক বছরের মধ্যে আরোগ্য লাভ করেন।


Medulloblastoma

This type of brain tumor is formed due to the viral infection, which reaches the brain to produce the tumor. Like all other types of cancer, the inactivity of the immune system helps to allow the virus reach the brain where the viruses get sufficient time to form the tumor and ultimately transform the cells into cancerous cells.

This person was supposed to undergo surgical operation. But the doctors considered the case much developed and hence rejected to open the brain. Thus we got the opportunity to treat the patient with our medication which helped him to survive for five years without any sufferings due to the tumor. Finally he died a normal death.

medulloblastomaName: Mohanandah Halder

Age: 60 Years

Year of Treatment: 2007

Result: Cured.

……………………………….

ব্রেইন ক্যান্সার (মেডুলোব্লাস্টোমা)

রোগীর নাম : মহানন্দ হালদার,

বয়স : ৬০ বছর, ঠিকানা : ফরিদপুর।
রোগের বিবরণঃ দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা যখন কর্মক্ষমতা হারিয়ে নিক্রীয় হয়ে পড়ে তখন দেহের কোষসমূহের জিনগত পরিবর্তন ঘটে থাকে এবং কিছু দেহকোষ বিকৃত হয়ে যে বিজাতীয় কোষের জন্ম হয় তারই নাম ক্যান্সার কোষ। এসব কোষ দেহের শক্তি নিয়ে সংখ্যায় বৃদ্ধি হতে থাকে ফলে দেহের সুস্থ কোষের পুষ্টির অভাব হতে থাকে। তখন দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ঐ সকল বিজাতীয় কোষসমূহকে একটি স্থানে একত্রিত করে ঘিরে ফেলে। এরই নাম হচ্ছে টিউমার। টিউমার সৃষ্টির উদ্দেশ্য হচ্ছে দুষ্ট ক্যান্সার কোষগুলোকে পুষ্টি সরবরাহ বন্ধ করে ধবংস করে ফেলা। কিন্তু ক্যান্সার কোষকে প্রকৃতি এমন শক্তি দিয়েছে যে তারা একধরনের হরমন নিঃসরণ করে দেহকে বাধ্য করে তাদেরকে রক্ত এবং পুষ্টি সরবরাহ করতে। ধীরে ধীরে ক্যান্সার কোষগুলো শক্তি সঞ্চয় করে টিউমারের আবরণ ভেদ করে দেহের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণতঃ দেহ মস্তিষ্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের বাইরে টিউমার নামক বর্জ্য সংরক্ষণের স্থানটি বেছে নেয়। আবার কখনো কখনো মানবদেহ কিডনি, লিভার, জরায়ু ইত্যাদি সহজে নিষ্কাশন করা যায় এবং অধিক পরিমাণে বিষাক্ত পদার্থ প্রবাহিত হয় এমন স্থানগুলোকে টিউমারের জন্য বেছে নিয়ে থাকে। কিন্তু মস্তিষ্কের মতো এত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে টিউমার সৃষ্টি করার পেছনে একটি জটিল প্রক্রিয়া কাজ করে। দেহকে যখন স্বাভাবিক বর্জ্য নিঃসরণের প্রক্রিয়াগুলোকে ক্রমাগত শক্তভাবে প্রতিহত করা হয়, তখনই সম্ভবতঃ দেহ বাধ্য হয়ে মস্তিষ্কের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সংরক্ষিত এবং দুর্গম স্থানে বর্জ্য সংরক্ষণ করে জন্ম দেয় টিউমার নামক একটি শত্রুর ঘাঁটিকে। এমন একটি আত্মঘাতী কাজ কোন মতেই একটি সুস্থ দেহ করতে পারে না যদি না তাকে বাধ্য করা হয়।জন্ম থেকে চিকিতসা বিজ্ঞানীরা দেহের বর্জ্য নিঃসরণের বিষয়টিকে মোটেই গুরুত্ব দিতে চান না। ঘর্ম, প্রস্রাব, মল নিঃসরণ ইত্যাদি স্বাভাবিক বর্জ্য নিঃসরণের প্রক্রিয়াগুলোতে যখন নিঃসৃত বিষের আধিক্যের কারণে সামান্যতম যন্ত্রণার সৃষ্টি হয়, তখনই সেই প্রক্রিয়াকে সহজতর করার পরিবর্তে নিঃসরণ প্রক্রিয়াগুলোকেই বাধাগ্রসত্দ করা হয় যাতে রোগীরা কষ্ট মুক্ত হন। যেমন ঘর্মের গন্ধ দূরীকরণে ব্যবহৃত গন্ধনাশক ক্রীম, সামান্যতম পাতলা পায়খানায় মলরোধক ওষুধ, ঘনঘন প্রস্রাব হলে তাকে কমানোর ওষুধ ইত্যাদি। দেহে টিউমার এবং ক্যান্সার সৃষ্টির পিছনে যে প্রক্রিয়া দায়ী সে সম্বন্ধে সাধারণ মানুষের বিন্দুমাত্র ধারণা না থাকার কারণে মানুষ অজ্ঞাতসারে ক্যান্সার সৃষ্টির সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে। এসম্বন্ধে জ্ঞান থাকলে আমাদের চিকিতসা প্রদানে সুবিধা হয় । ক্যান্সার সৃষ্টির প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগেই যদি ক্যান্সার উতপাদক কারণগুলোকে প্রতিহত করা যায় তাহলে যে শুধু ক্যান্সার চিকিতসার প্রয়োজনই পড়বে না তা নয় বরং শতশত রোগ মানুষের দেহ থেকে শুরুতেই নিমর্ূল হয়ে যাবে। ফলে চিকিতসা বিজ্ঞনীদের অহেতুক পরিশ্রম লাঘব হয়ে যাবে। এধরনের দেহকে রোগবিষমুক্ত করার কাজটি অতি সহজে একমাত্র হোমিওপ্যাথিক ইমিউনোমডুলেশন পদ্ধতিতেই করা সম্ভব হচ্ছে।
সিটি স্ক্যান করে প্রাপ্ত রিপোর্ট দেখে বিজ্ঞ চিকিতসক ঝুঁকিপূর্ণ মনে করে এই রোগীর ব্রেইন অপারেশন করতে রাজি না হওয়ায় রোগী আমাদের চিকিতসায় আসেন এবং মাত্র এক বছরে আরোগ্য লাভ করেন।


3 comments on “Cancer (ক্যান্সার)

  1. My 11 years old son is suffering from desmoplastic small round cell tumor (DSRT) cancer in abdomen. After taking treatment in a famous Hospital he was cured. He was given p-6 protocol (7 cycle chemo). But after 4 month it again come back in LUNG and started second round chemotherapy. It is highly aggressive malignant cell, according to world famous Alopathy cancer society’s remark ” after successfull treatment survival rate yet to day in the world is 1-3 yrs. Though Average life time is in Almightly Allah desire, yet I hope to treat such serious diseses, not for my son, but also for mankind. Pl see the matter if possible according to HOMEOPATHY.

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s