ইমিউনোলজি বিজ্ঞানের মতে অসংক্রামক রোগের শ্রেণীভেদ

ইমিউনোলজি বিজ্ঞানের মতে অসংক্রামক রোগ সম্বন্ধে আধুনিক মতবাদ

(a) ইমিউন রিএ্যাকশন ডিজিজ বা রোগপ্রতিরোধ বাহিনীর প্রতিক্রিয়া জনিত রোগ

(ক) হাইপারসেন্সিটিভিটি রিএ্যাকশন বা অতি সংবেদনশীলতা জনিত প্রতিক্রিয়া।
(খ) সাইটোটক্সিক রিএ্যাকশন বা দেহকোষ ধ্বংসকারী প্রতিক্রিয়া।
(গ) ইমিউন কমপ্রেক্স রিএ্যাকশন বা রোগপ্রতিরোধক উপাদানের সঙ্গে রোগবিষের জটিল মিশ্রণ দ্বারা সৃষ্ট প্রতিক্রিয়া।

(b) অটোইমিউন ডিজিজ বা রোগপ্রতিরোধ বাহিনীর স্বপক্ষবিরোধী ক্রিয়াজনিত রোগ
(c) ইমিউনোডিফিশিয়েন্সি ডিজিজ বা রোগপ্রতিরোধ বাহিনীর দুর্বলতা জনিত রোগ
(d) হিউম্যান লিউকোসাইট এ্যান্টিজেন বা এইচ,এল,এ জনিত জিনগত রোগ
অসংক্রামক রোগের চিকিৎসায় পূর্বোক্ত উপশমকারী চিকিৎসা পদ্ধতিগুলোর বিকাশের পাশাপাশি ইমিউনোলজি বা রোগপ্রতিরোধ বিদ্যা নিয়ে বিজ্ঞানীরা গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এর ফলে অসংক্রামক রোগের কারণ হিসাবে জীবাণু এবং জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট এ্যান্টিজেন বা রোগবিষের সাথে রোগপ্রতিরোধ বাহিনীর সদস্যদের লড়াই জনিত উদ্ভুত নানাবিধ প্রক্রিয়াকে সনাক্ত করা সম্ভব হলো। শ্বেতকণিকা এবং অন্যান্য রোগপ্রতিরোধ বাহিনীর সদস্যদের দ্বারা রোগবিষ ধবংস করার সময় সুস্থ দেহকোষকে ক্ষতিগ্রস্থ করার ফলে সৃষ্ট প্রতিক্রিয়া (ইমিউন রিএ্যাকশন ডিজিজ) কিংবা দেহের প্রয়োজনীয় উপাদান সমুহকে শত্রু ভেবে ধবংস করা (অটোইমিউনিটি) কিংবা বহিরাগত শত্রুকে ধ্বংস না করে ইচ্ছামত দেহের ভিতর বসবাস করে দেহের ক্ষতিসাধন করতে দেওয়া (ইমিউনোডিফিশিয়েন্সি ) এই তিন রকম প্রতিক্রিয়ার ফলে দেহের প্রায় শতকরা ৯৯ ভাগ অসংক্রামক রোগের সৃষ্টি হয়ে থাকে । নন-ইনফেকশাস বা অসংক্রামক ব্যাধি বলতে বাত, শিরঃপীড়া, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার ইত্যাদি অসংখ্য রোগকে বুঝায়। এ ধরনের রোগ ছোঁয়াচে নয়। এদের কারণ হিসেবে কোন জীবাণু বা ভাইরাস বা কোন রোগবিষকে সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা এ ধরনের রোগসমূহের কারণ খুঁজতে গিয়ে অনেক জটিল তথ্য জানতে পেরেছেন। ইমিউনোলজি বা রোগপ্রতিরোধ বিদ্যার বিকাশের পূর্বে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা অসংক্রামক রোগের কারণ হিসাবে রোগ জীবাণুকেই দায়ী করতেন। কিন্তু পরবর্তীকালে বিজ্ঞানীরা প্রমাণ পেয়েছেন যে, দেহকে দূষণমুক্ত রাখার জন্য যে প্রতিরক্ষা বাহিনী নিয়োজিত রয়েছে, তাদেরই কর্মক্ষমতার বিশৃঙ্খলার কারণে মানবদেহের প্রায় সকল প্রকারের নন-ইনফেকশাস বা অসংক্রামক রোগের সৃষ্টি হচ্ছে। দূর্বল এবং অদক্ষ রোগপ্রতিরোধ বাহিনী যদি শক্তিশালী রোগবিষকে আক্রমণ করে দ্রুত ধবংস সাধন করতে ব্যর্থ হয় তাহলে দীর্ঘমেয়াদী লড়াই চলতে থাকে। এই লড়াইয়ের ফলে দেহের সুস্থ কোষ ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা ধবংস প্রাপ্ত হতে থাকে। উদাহরণস্বরূপ, কোন দেশের দূর্বল রক্ষীবাহিনী যদি শক্তিশালী বহিরাগত শত্রুর সাথে দেশের মাটিতে লড়াই করে শত্রুকে দ্রুত নিশ্চিহ্ন করতে ব্যর্থ হয় এবং দীর্ঘ মেয়াদী লড়াইয়ে লিপ্ত হয়, তাহলে দেশের নিরীহ জনসাধারণই ক্ষতিগ্রস্ত হন। যাকে আমরা লড়াইয়ের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বলে আখ্যায়িত করতে পারি। এহেন পরিস্থিতিতে নানাবিধ রোগলক্ষণ সৃষ্টি হয় যেগুলোকে ইমিউনোলজি বিজ্ঞানের ভাষায় ইমিউনোলজিক্যাল ডিজঅর্ডার বা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার বিশৃঙ্খলা জনিত রোগ বলে আখ্যায়িত করা হয়। ইমিউন সিস্টেম বা রোগপ্রতিরোধ বাহিনীর কর্মকান্ডের বিশৃঙ্খলার ফলে সৃষ্ট রোগসমূহকে উপরোক্ত তিনটি ভাগে বিভক্ত করা হয় যেগুলোর সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিম্নরূপ,
(a) ইমিউন রিএ্যাকশন ডিজিজ বা রোগ প্রতিরোধ বাহিনীর প্রতিক্রিয়াজনিত রোগ

(ক) হাইপারসেন্সিটিভিটি রিএ্যাকশন বা অতি সংবেদনশীলতা জনিত প্রতিক্রিয়া ঃ রোগপ্রতিরোধ বাহিনীর কাজ হচ্ছে দেহের ক্ষতিকর রোগবিষকে ধ্বংস করা। এ কাজটি করার উদ্দেশ্যে বাহিনীর সদস্যরা সুস্থ দেহকোষের গায়ের সঙ্গে লেগে থাকা রোগবিষকে আক্রমণ করতে গিয়ে দেহের সুস্থ কোষসমূহকে কখনও উত্তেজিত করে সৃষ্টি করে হাইপারসেন্সিটিভিটি রিএ্যাকশন বা অতি সংবেদনশীলতা জনিত প্রতিক্রিয়া । এহেন উত্তেজনার ফলে সৃষ্ট রোগের নাম এ্যালার্জি ।

(খ) সাইটোটক্সিক রিএ্যাকশন বা দেহকোষ ধ্বংসকারী প্রতিক্রিয়া ঃ আবার কখনও সুস্থ দেহকোষকে ধ্বংসপ্রাপ্ত করে ফেলে যার নাম সাইটোটক্সিক রিএ্যাকশন বা দেহকোষ ধবংসকারী প্রতিক্রিয়া। এর ফলে সৃষ্টি হয় এ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতা।

(গ) হিউম্যান লিউকোসাইট এ্যান্টিজেন বা এইচ,এল,এ জনিত জিনগত রোগ ঃ আবার কখনো প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং রোগবিষ যুদ্ধরত অবস্থায় একত্রে জটলা পাকিয়ে সৃষ্টি করে এ্যান্টিজেন-এ্যান্টিবডি কমপ্লেক্স যা দেহের মধ্যে জমতে থাকে এবং সুস্থ দেহকোষে পচন ধরিয়ে দেয়। এর নাম ইমিউন কমপ্লেক্স রিএ্যাকশন বা রোগ প্রতিরোধক উপাদানের সঙ্গে রোগবিষের জটিল মিশ্রণ দ্বারা সৃষ্ট প্রতিক্রিয়া । এমন ধরনের প্রতিক্রিয়ার ফলে সৃষ্ট রোগসমূহ হচ্ছে হাঁপানি, কুষ্ঠ, কিডনী প্রদাহ, একজিমা ইত্যাদি।

(b)  অটোইমিউন ডিজিজ বা রোগ প্রতিরোধ বাহিনীর স্বপক্ষবিরোধী ক্রিয়াজনিত রোগ ঃ দেহের জন্য ক্ষতিকর রোগবিষকে ধ্বংস করতে হলে রোগ প্রতিরোধ বাহিনীর একটি জ্ঞান থাকা অত্যাবশ্যক। তা হচ্ছে দেহের অসংখ্য প্রয়োজনীয় নির্দোষ উপাদানের মধ্য থেকে ক্ষতিকর উপাদানকে পৃথক করতে পারা। কখনো কখনো রোগ প্রতিরোধ বাহিনী এই ক্ষমতা হারিয়ে বসে এবং ভূলক্রমে দেহের প্রয়োজনীয় উপাদানকে ধ্বংস করতে শুরু করে। এ ধরনের রোগের নাম অটোইমিউন ডিজিজ। দেহের প্যাংক্রিয়াসের কোষকে কিংবা ইনসুলিনকে শত্রু ভেবে ধ্বংস করার ফলে সৃষ্ট এ ধরনের রোগের নাম হচ্ছে ডায়াবিটিস। এমনিভাবে দেহের রোগপ্রতিরোধ বাহিনী পুরুষের শুক্রাণূ এবং স্ত্রীলোকের ডিম্বাণূকে ধ্বংস করে সৃষ্টি করে থাকে সন্তান জন্মদানের অক্ষমতা বা ইনফার্টাইলিটি । আবার কখনো দেহকোষের মূল কেন্দ্রবিন্দু নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রিকাকে ধবংস করার উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করে থাকে এ্যান্টিনিউক্লিয়ার এ্যান্টিবডি বা এ এন এ যার ফলে সৃষ্টি হয় ভয়াবহতম অটোইমিউন জাতীয় রোগ, যার নাম এস এল ই এবং যার নাম শুনলে সকল চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা থমকে যান।

(c) ইমিউনোডিফিশিয়েন্সি ডিজিজ বা রোগপ্রতিরোধ বাহিনীর দুর্বলতাজনিত রোগ ঃ দেহের রোগপ্রতিরোধ বাহিনীর দূর্বলতা জন্মালে রোগবিষেরা দেহের মধ্যে ইচ্ছামত বিচরণ করতে থাকে। এ সময় কোন ওষুধই কাজ করতে পারেনা। বার বার জীবাণুর সংক্রমণ ঘটতে থাকে। এ ভাবে ঘন ঘন ফোঁড়া হওয়া, একজিমা, পাতলা পায়খানা, দৈহিক বৃদ্ধির অভাব, অস্থিমজ্জার প্রদাহ, এমনি শত শত রোগ চিকিৎসক এবং রোগীকে সমস্যার মধ্যে ফেলে দেয়।
দেহের এমনি অবস্থায় কতগুলো অঙ্কোজেনিক বা ক্যান্সার জন্মদানকারী ভাইরাস দেহের সুস্থ কোষের ভিতর প্রবেশ করে মানুষের ডি, এন, এ’র ভাষার পরিবর্তন ঘটিয়ে ভাইরাসের নিজস্ব ডি,এন,এ’র ভাষায় রূপান্তরিত করে ফেলে । তখন ঐ সকল দেহকোষের চরিত্র মানুষের দেহকোষের পরিবর্তে ভাইরাসের কোষের চরিত্রে রূপান্তরিত হয়ে যায় । ঐ সকল দেহকোষকেই ক্যান্সার কোষ বলে আখ্যায়িত করা হয়, যেগুলো মানুষের দেহের পুষ্টি গ্রহণ করে দ্রুত বাড়তে থাকে এবং আশ্রয়দাতা মানুষটিকেই মেরে ফেলে। মানব দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার এহেন দূর্বলতাই হচ্ছে ক্যান্সার রোগসৃষ্টির অন্যতম প্রধান কারণ।
এমনিভাবে অসংখ্য রোগের প্রধান কারণ হচ্ছে রোগপ্রতিরোধ বাহিনীর দূর্বলতা, যে কারণে হেপাটাইটিসের মতো অনেক ভাইরাস মানুষের দেহে প্রবেশ করে দীর্ঘদিন যাবত লিভারের ক্ষতিসাধন করে লিভার সিরোসিস বা লিভার ক্যান্সারের মতো রোগের সৃষ্টি করে থাকে। প্রসঙ্গতঃ উলে¬খ্য যে, এইচ,আই,ভি, নামক ভাইরাস সুস্থ মানবদেহে প্রবেশ করে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে ধবংস করে এইডস নামক যে রোগের জন্ম দেয় সেটাও একই শ্রেণীভুক্ত। তফাৎ হচ্ছে এই যে, এইচ,আই,ভি, দেহে প্রবেশ করার পর টি সেল নামক শ্বেতকণিকাকে ধবংস করে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার দূর্বলতা সৃষ্টি করে থাকে।

(ফ) হিউম্যান লিউকোসাইট এ্যান্টিজেন বা এইচ,এল,এ জনিত জিনগত রোগ ঃ জন্মগতভাবে মানব দেহের ক্রোমোজম নামক সূ² কণার ভিতর একধরণের বিষাক্ত উপাদান থাকে যার নাম হিউম্যান লিউকোসাইট এ্যান্টিজেন বা এইচ,এল,এ । এই বিষাক্ত উপাদানের প্রভাবে দেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা বা ইমিউন সিস্টেম মানবদেহে নানা প্রকার জটিল রোগের প্রবণতা সৃষ্টি করে। যেমন, বি-৮, বি-১৫, ডি,আর-৩ এবং ডি, আর-৪ নামক চার প্রকার এইচ, এল, এ’র প্রভাবে মানব দেহে জন্ম নেয় ইনসূলিন নির্ভর বা টাইপ-১ ডায়াবিটিস এর প্রবণতা ; এইচ, এল, এ, ডি,আর-৪ এর প্রভাবে জন্ম নেয় রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস বা বাতজনিত সন্ধিপ্রদাহ নামক রোগের প্রবণতা ; এইচ, এল, এ, বি-২৭ এর প্রভাবে জন্ম নেয় এ্যাংকাইলোজিং ষ্পন্ডিলাইটিস বা মেরুদন্ডকে অচলকারী বাত এর প্রবণতা ইত্যাদি। এমনি অসংখ্য এইচ,এল, এ’র কারণে আপাতদৃষ্টিতে নীরোগ মানবদেহের ভিতর অসংখ্য জটিল রোগের প্রবণতার সৃষ্টি হয়। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, হোমিওপ্যাথিক ইমিউনোমডুলেশন পদ্ধতিতে এহেন জটিল রোগের আরোগ্যের সমাধান বের করা সম্ভব হয়েছে যার বিবরণ চিকিৎসা বিজ্ঞানীদেরকে নতুন পথের সন্ধান দিবে ।

চিত্রের মাধ্যমে প্রদর্শিত রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির প্রক্রিয়াসমূহ

homeopathy and immunology
চিত্রে প্রদত্ত প্রক্রিয়ার ব্যাখ্যা নিন্মে প্রর্দশিত হলোঃ

(১) অতিসংবেদনশীলতা বা হাইপার সেনসিটিভিটি রিএ্যাকশন ঃ সুস্থ দেহকোষের সাথে লেগে থাকা টক্সিক বা রোগবিষসমূহকে যখন এ্যান্টিবডি এবং কমপ্লিমেন্ট নামক রোগপ্রতিরোধ বাহিনী ধবংস করতে উদ্যত হয় তখনই দেহকোষ উত্তেজিত হয়ে রোগবিষ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য হিস্টামাইন নামক পদার্থ নিঃসরন করে। যার ফলে দেহে এ্যালার্জি নামক অতিসংবেদনশীলতা বা হাইপার সেনসিটিভিটি নামক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। চিকিৎসকেরা তখন হিস্টামাইনকে ধবংস করার জন্য এ্যান্টিহিস্টামাইন নামক ওষুধ ব্যবহার করেন যার দ্বারা এ্যালার্জি দূরীভূত হয়।
(২) সাইটোটক্সিক রিএ্যাকশন বা কোষ ধবংসকারী প্রতিক্রিয়া ঃ কিন্তু রোগবিষ দেহের ভিতর অক্ষত অবস্থায় থেকে যায় এবং দেহকোষের গায়ে রোগপ্রতিরোধ বাহিনী কর্তৃক রোগবিষ ধবংসকারী প্রক্রিয়া চলতেই থাকে। যার ফলে সুস্থ দেহকোষগুলো ধবংসপ্রাপ্ত হতে থাকে এবং আক্রান্ত ব্যক্তি রক্তশূণ্যতা নামক রোগের শিকার হয়।
(৩) ইমিউন কমপ্লেক্স রিএ্যাশন ঃ এরপর রোগবিষ বা এ্যান্টিজেন এর সঙ্গে এ্যান্টিবডি এবং কমপ্লিমেন্ট পরস্পর যুদ্ধরত অবস্থায় জটলা পাকিয়ে একটি জটিল উপাদানের সৃষ্টি করে যার নাম ইমিউন কমপ্লেক্স জাতীয় উপাদান যা সংলগ্ন দেহের সুস্থ কোষসমূহতে পচন ধরিয়ে দেয়। এর ফলে একজিমা, হাঁপানি, কুষ্ঠ, কিডনি প্রদাহ ইত্যাদি রোগের সৃষ্টি হয়। উপরোক্ত তিনটি প্রক্রিয়াকে একসঙ্গে ইমিউন রিএ্যাকশন ডিজিজ বা রোগপ্রতিরোধ বাহিনীর প্রতিক্রিয়াজনিত রোগ বলা হয়। যা উপরের চিত্রে দেখানো হয়েছে।

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s